অনুচ্ছেদ - ২
ধারা- ১৩
সদস্যপদ বাতিল হবার নিয়মাবলী ঃ
যে কোন সদস্যদের পদ নিন্মলিখিত কারণে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
উপধারা ঃ
(ক) কোন সদস্য ৭ (সাত) মাস অনুপস্থিত থাকার পর সাধারণ সম্পাদকের নিকট হতে নোটিশ প্রাপ্তির
৭(সাত) দিনের মধ্যে কারণ দর্শানো সহ পরবর্তী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ না করলে ।
(খ) উপযুক্ত কারণ দর্শানো ব্যতিরেক পর পর ২ (দুই) টি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সাময়িক সময়ে জন্য বরখাস্ত বা সবদিক বিবেচনা করে উক্ত পদ থেকে বহিষ্কার প্রধান করবে।
(গ) সংগঠনের আর্থিক তহবিল/সম্পত্তি আত্মসাৎ করলে।
(ঘ) সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন কাজে জড়িত হলে।
(ঙ) পরলোক গমন/সম্পূর্ন মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে।
(চ) স্বেচ্ছাই পদত্যাগ করলে।
(ছ) ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ গ্রহন কতৃক সিদ্ধান্তের উপযুক্ত ও যুক্তি যুক্ত কারণ না দেখিয়ে বিরোধিতা করলে।
(জ) ওয়েলফশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে।
(ঝ) উক্ত সদস্যের নামে গুরুতর কোনো অভিযোগ থাকলে স্থায়ী পরিষদ কিংবা কেন্দ্রীয় পরিষদ আথবা উভয় পরিষদ একত্রিত হয়ে উক্ত অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে উপযুক্ত আর্থিক জরিমানা ও শাস্তি অথবা সদস্যতা বাতিল কিংবা উভয় দন্ডেদন্ডিত করতে পরেন।
উপধারা -১
সদস্যপদ বাতিলঃ
কোন সদস্য যদি সংগঠণের নিয়ম বহির্ভূত কোন প্রকার অনৈতিক/অশালীন/অসামাজিক কার্যকলাপ কিংবা কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকেন যা সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থী এবং যার দ্বারা সংগঠনের সুনাম ক্ষুন্ন হয়- তাহলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।
সংগঠণ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট সদস্য কে সাময়িক সময়ের জন্য বরখাস্ত অথবা সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।
উপযুক্ত কারণ ছাড়া সংগঠনের আহব্বানকৃত পরপর দুটি (২টি) সভায় উপস্থিত না থাকিলে সংশ্লিষ্ট সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত কিংবা বাতিল হবে।
উপধারা -২
শাস্তি :
(ক) অভিযুক্ত সদস্য কে আর্থিক জরিমানা বা শাস্তি আথবা উভয় দন্ডেদন্ডিত সদস্য কে সাময়িক সময়ের জন্য বরখাস্ত করতে পারবে।
(খ) অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার অপরাধ বিবেচনা করে শাস্তি প্রধান করা হবে।
(গ) গুরুতর অভিযুক্ত ব্যক্তি কে শাস্তি প্রধান এর ক্ষেত্রে কোরআন, হাদিস, উক্ত দেশের আইন, আন্তর্জাতিক আইন, কেন্দ্রীয় পরিষদ ও স্থানীয় পরিষদের যৌথ পরামর্শ এবং উক্ত স্থানের সম্মানিত, শিক্ষিত, গুণী ব্যাক্তিদের পরামর্শ ক্রমে অভিযুক্ত ব্যক্তি কে শাস্তি দেওয়া হবে।
ধারা ১৪
বাতিল সদস্য/সদস্যাপদ পুনঃভর্তি নিয়মাবলী ঃ
(১) সাধারণ সদস্য ঃ
সাধারণ সদস্যদের বেলায় কেবলমাত্র ধারা ১৩ বর্ণিত ক, খ, ঘ, চ ও ছ উপধারায় অভিযুক্ত হয়ে সদস্যপদ হারালে সংগঠনের সভাপতি বরাবরে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান পূর্বক (যদি প্রাপ্য হয়) ১০০/- (একশত) টাকা প্রদান করে পুণঃ যোগদান ফর্ম সংগ্রহ করতে পারবেন।
(২) আজীবন সদস্য ঃ
১২নং ধারা গ ও ঘ উপধারা অনুযায়ী সদস্যপদ বাতিল হলে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বা নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক পুণঃভর্তির জন্য বিবেচিত হলে সে সকল সদস্যকে পুণঃরায় সদস্যপদ দেয়া যেতে পারে।
ধারা- ১৫
সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো ঃ ওয়েলফশন এর মৌলিক স্তর ওয়ার্ড পর্যায় থেকে সংগঠিত হয়ে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে। সেহেতুু সংগঠনটি সুচারুভাবে পরিচালনার জন্য সর্বমোট ৪টি সাংগঠনিক কাঠামো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা পরিচালিত হবে।
১. উপদেষ্ঠা পরিষদ।
২. অস্থায়ী পরিষদ।
৩. নির্বাহী পরিষদ।
৪. সাধারণ পরিষদ।
৫. কেন্দ্রীয় পরিষদ।
৬. স্থায়ী পরিষদ।
উপধারা
১। উপদেষ্টা পরিষদ ঃ
সংগঠনের আজীবন সদস্যদের মধ্যে থেকে একজনকে প্রধান উপদেষ্টা করে ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। অনুরুপভাবে মহানগর কমিটিতে ১৫ (পনের) জেলা কমিটিতে ১৩ (তের) উপজেলা কমিটিতে ০৯ (নয়) আঞ্চলিক/ইউনিয়ন কমিটিতে ০৫ (পাঁচ) জন সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। সংগঠনের নির্বাহী পরিষদ যখনী প্রয়োজন মনে করবে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের সাথে বৈঠকে মিলিত হবে এবং সংগঠন উন্নতিকল্পে তাদের উপদেশ পরামর্শ গ্রহণ করবে। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ উপদেশ/পরামর্শ ছাড়া অন্য কোন নির্বাহী দায়িত্ব পালন করবে না। উপদেষ্টা পরিষদ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন বা কেন্দ্রীয় পরিষদ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত হবে।
২। অস্থায়ী পরিষদ ঃ
নির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনবোধে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এক বা একাধিক বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণের জন্য (৩)তিন থেকে (১৫) (পনের) সদস্য বিশিষ্ট অস্থায়ী পরিষদ গঠন করতে পারবেন। এই পরিষদ স্থায়ী পরিষদের পরামর্শ ও মতামত নিয়ে কার্যক্ষমতা প্রয়োগ করবেন এবং অস্থায়ী পরিষদ স্থায়ী পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।অস্থায়ী পরিষদ নির্বাহী পরিষদের আমন্ত্রণক্রমে সংগঠনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে উপদেশ বা পরামর্শ প্রদান করবেন। নির্বাহী পরিষদ অস্থায়ী পরিষদ বিলুপ্ত করতে পারেন এবং পুনরায় অস্থায়ী পরিষদ গঠন করতে পারবেন।
৩। নির্বাহী পরিষদ ঃ
সাধারণ পরিষদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে বা কেন্দ্রীয় পরিষদ দ্বারা ৯৯টি বা এরঅধিক সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে। নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের অস্থায়ী এ স্থায়ী পরিষদের পরামর্শ ও মতামত নিয়ে কার্যক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। এই পরিষদ অস্থায়ী পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে। এই পরিষদের মেয়াদ হবে ৩ বৎসর । যেদিন থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করা হবে সেদিন থেকে মেয়াদ গণণা করা হবে।
৪। সাধারণ পরিষদ ঃ
গঠনতন্ত্র ৯নং ধারা নিয়ম/বিধি এর উপধারা-১এর মোতাবেক কেন্দ্রীয়, মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন/আঞ্চলিক কমিটি এবং আজীবন সদস্যদের সমন্বয়ে সাধারণ পরিষদ গঠিত হবে। এই পরিষদই সংগঠনের প্রধান পরিষদ বলে পরিগনিত হবে। সাধারণ পরিষদের সদস্য কোন নির্ধারিত সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।
৫। কেন্দ্রীয় পরিষদ ঃ
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের থেকে একজনকে প্রধান করে সংগঠনের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের নিয়ে ৩ (তিন) থেকে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় পরিষদ থাকবে। এই পরিষদ সংগঠনের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হবেন। স্থায়ী পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে ১৫ (পনের ) বৎসর। যেকোনো পরিষদ সংগঠনের কেন্দ্রিয় পরিষদের পরামর্শ ও মতামত নিয়ে কার্যক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। প্রয়োজনে যে কোনো মুহূর্তে কেন্দ্রীয় পরিষদ তার ক্ষমতা বলে সকল পরিষদ পরিচালনা ও সকল পরিষদের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
যেদিন থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করা হবে সেদিন থেকে মেয়াদ গণনা করা হবে।
৬। স্থায়ী পরিষদ ঃ
উপদেষ্ঠা, অস্থায়ী , নির্বাহী , সাধারণ , কেন্দ্রীয় পরিষদসহ প্রতেক পরিষদ থেকে ১ (এক) জন করে ৫ (পাঁচ) জন এবং নির্বাহী পরিষদের প্রধান সহ অস্থায়ী ও কেন্দ্রীয় পরিষদ থেকে ১০ (দশ) জন।
মোট ১৫ (পনের)জন সদস্য বিশিষ্ট স্থানীয় পরিষদ থাকবে। এই পরিষদ সংগঠনের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হবেন। স্থায়ী পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন। এই পরিষদের মেয়াদ হবে ৭ (সাত ) বৎসর। স্থায়ী পরিষদ সংগঠনের কেন্দ্রিয় পরিষদের পরামর্শ ও মতামত নিয়ে কার্যক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। প্রয়োজনে স্থায়ী পরিষদ কেন্দ্রীয় পরিষদের নির্দেশে ওয়েলফশনের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ধারা- ১৫
সংগঠনের নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের মধ্যে থেকে ২৩ (তেইশ) জন সদস্য বিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন। ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দায়িত্ব প্রাপ্ত হবেন। কমিটির সদস্যরা প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর অন্তর বৈঠকে মিলিত হয়ে কাজের অগ্রগতি রিপোর্ট প্রতিবেদন আকারে নির্বাহী পরিষদে পেশ করতে হবে। কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটি নির্বাহী কমিটির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে। এই কমিটির মেয়াদ হবে ২ (দুই) বছর। এই কমিটির কাজে অবহেলা পরিলক্ষিত হলে যে কোন সময়ে স্থায়ী পরিষদ অনুমতি সাপেক্ষে নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের রদবদল করতে পারবে।
ধারা-১৬
নির্বাহী পরিষদের কাঠামো ঃ-
সভাপতি ১জন
সিনিয়র সহ-সভাপতি ১জন
সহ-সভাপতি ৩ জন
সাধারণ সম্পাদক ১জন
যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক ১ জন
সহ- সাধারণ সম্পাদক ৩ জন
সংগঠনিক সম্পাদক ১জন
সহ- সংগঠনিক সম্পাদক ৩ জন
অর্থ সম্পাদক বা কেরাণী ১জন
সহ অর্থ সম্পাদক বা কেরাণী ১জন
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১জন
সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১জন
দপ্তর সম্পাদক ১জন
সহ- দপ্তর সম্পাদক ১জন
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১জন
সহ- তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১জন
আইন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- আইন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ১জন
কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ১জন
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
মৎস্য ও পশু সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ১জন
যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ১জন
যুব বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- যুব বিষয়ক সম্পাদক ১জন
মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১জন
সহ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
সহ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
নির্বাহী সদস্য ৫১ জন
সর্বমোট = ৯৯ জন।
ধারা-১৭
নির্বাহী পরিষদের কর্ম পরিধি ঃ
(ক) সংগঠনের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থায়ী পরিষদ অনুমোদন সাপেক্ষে নির্বাহী পরিষদ পরিচালিত করবে।
(খ) নির্বাহী পরিষদ প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়ন দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের নিকট দায়িত্ব বন্টন ও নির্ধারণ করবে।
(গ) সংগঠনের যাবতীয় অর্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ পরিচালনা করা।
(ঘ) বিশেষ প্রয়োজনে বা বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপ- কমিটি গঠন করা।
(ঙ) সংগঠনের যে কোন ধরনের সভা আহ্বানের দিন, তারিখ, সময় ও এজেন্ডা গ্রহণ করা।
(চ) প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য কর্মচারী নিয়োগ করা।
ধারা -১৮
স্থায়ী পরিষদ কর্ম পরিধি ঃ
ক) সংগঠনের যাবতীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম অনুমোদন করবেন।
খ) সংগঠন উন্নতিকল্পে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
গ) অডিট পরিচালনা করবেন।
ঘ) সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে সর্বদা তৎপর থাকবেন।
ঙ) সংগঠনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিয়ন্ত্রন করবেন।
চ) বার্ষিক সাধারন সভা/ কাউন্সিল আহ্বান করবেন।
১৯-ধারা
নির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী ঃ-
সভাপতি ঃ-
সংগঠনের গঠনতান্ত্রিক প্রধান হিসেবে সভাপতি ঃ-
(ক) সকল কার্যাবলী তদারক করবেন এবং পরামর্শ প্রদান করবেন।
(খ) সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
(গ) গঠনতন্ত্রের ধারা উপ-ধারার ব্যাপারে ব্যাখ্যা প্রদান করবেন ।
(ঘ) ব্যাংকে লেনদেনের জন্য সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক এর সাথে যৌথ স্বাক্ষরদাতা হবেন এবং ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের সময় স্থায়ী পরিষদ অনুমোদনক্রমে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক যে কোন ২(দুইু) জনের যৌথ স্বাক্ষরে উত্তোলন করা যাবে।
(ঙ) সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে সর্বদা তৎপর থাকবেন।
(চ) সকল প্রকার বিল-ভাউচার, লেনদেন সংক্রান্ত কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিজে অনুমোদন করবেন বা অনুমোদনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সমীপে পেশ করবেন।
(ছ) সংগঠনের সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা রক্ষাকল্পে কর্মচারীদের ছাটাই, নিয়োগ ও কর্মচুক্তির ব্যাপারে চূড়ান্ত ক্ষমতা স্থায়ী পরিষদ অনুমোদন ক্রমে নির্বাহী পরিষদ পরিচালনা করবেন।
সিনিয়র সহ-সভাপতি ঃ
সভাপতির অনুপস্থিতিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি, সভাপতির সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
সহ-সভাপতি ঃ
যদি সভাপতি ও সিনিয়র সহ-সভাপতি অনুপস্থিত থাকেন সহ-সভাপতি ৩ (তিন) জনের মধ্যে ক্রমানুসারে একজন সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণ সম্পাদক ঃ
(ক) তিনি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করবেন।
(খ) সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠিপত্র লেখা ও আদান প্রদানের ব্যবস্থা করবেন।
(গ) সংগঠনের কার্যক্রম কর্মসূচি প্রণয়ন কাগজপত্র, তথ্য ও দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
(ঘ) সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা ও গতিশীল রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(ঙ) সংগঠনের সার্বিক উন্নয়নে সর্বদাই সভাপতিসহ সকল নির্বাহী সদস্যদের সাথে যোগাযোগ, আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন।
(চ) প্রশাসন, প্রকল্প তৈরি, বাজেট তৈরি কার্যক্রম, বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন সর্বদিকে ব্যবস্থা ও সহায়তা করবেন।
(ছ) সকল ধরণের সভার কার্য বিবরণী লিপিবদ্ধ করবেন ও বিতরনের ব্যবস্থা করবেন।
(জ) সদস্য তালিকায় সঠিক সদস্যভূক্তি লিপিবদ্ধ করবেন।
(ঝ) সভাপতির সাথে পরামর্শ সাপেক্ষে সকল ধরনের সভা আহবানের দিন, তারিখ, সময় ও স্থান এবং এজেন্ডা উল্লেখ করে নোটিশ লিখে বিতরনের ব্যবস্থা করবেন।
(ঞ) অর্থ সম্পাদক কর্তৃক মাসিক, ত্রৈমাসিক, বার্ষিক জমা খরচের হিসাব প্রস্তুত করে নেবেন এবং যথাযথ সভায় অনুমোদন ও গ্রহণ করার ব্যবস্থা নেবেন।
(ট) সভাপতি ও অর্থ সম্পাদক সাথে চেকে যৌথ স্বাক্ষর দাতা হবেন।
(ঠ) তিনি সরকারি, বেসরকারি, বিদেশী দাতা সংস্থা ও ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
(দ) জরুরী ভিত্তিতে খরচের নিমিত্তে সভাপতির অনুমোদনক্রমে তিনি নিজের হাতে কমপক্ষে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা নগদ রাখতে পারবেন।
যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদকঃ
সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম- সম্পাদক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন।
সহ-সাধারণ সম্পাদক ঃ
৩ (তিন) জনের মধ্যে ক্রমানুসারে একজন সাধারণ সম্পাদক/যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এর অনুপস্থিতিতে তাঁহার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন। কিন্তু নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন ছাড়া কোন টাকা খরচ করতে পারবেন না।
সাংগঠনিক সম্পাদক ঃ
(ক) তিনি সকল শাখা সংগঠনের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
(খ) সাধারণ সদস্য ভর্তি বৃদ্ধির ব্যাপারে তিনি সব সময় তৎপর থাকবেন।
(গ) সংগঠনের সকল শাখা কমিটিগুলোর মধ্যে সাংগঠনিক সফরের ব্যবস্থা করবেন।
(ঘ) সাংগঠনিক কার্যক্রম বৃদ্ধির লক্ষ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।
সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ঃ
সাংগঠনিক সম্পাদককে সংগঠনের কাজে সার্বিক সহযোগীতা করবেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তাঁহার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন।
অর্থ সম্পাদক ঃ
(ক) সংগঠনের নগদ অর্থ চেক বই সংরক্ষণ হিসাব ও নিকাশের বিবরণ যথাযথভাবে পরিচালনা করবেন।
(খ) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক অনুমতিক্রমে সংগঠনের টাকা/তহবিল যে কোন তফশীল ব্যাংকে সংগঠনের নামে জমা রাখবেন।
(গ) অর্থ সম্পাদক (কোষাধ্যক্ষ) চেকে সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের সাথে যৌথ স্বাক্ষর দিয়ে লেনদেনের স্বাক্ষরদাতা থাকবেন।
(ঘ) সংগঠনের হিসাব-নিকাশের খাতাপত্র যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।
সহ- অর্থ সম্পাদক ঃ
অর্থ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তাঁহার অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও সমাজের গুণী ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতা আয়োজন ও পুরস্কারের ব্যবস্থা করবেন এবং পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা প্রসারে ভূমিকা রাখবেন।
সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ঃ
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি সমাজের গুণী ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শ করে সমাজের বিভিন্ন ধরণের কুসংস্কার দূরীকরণ ও সমাজ কল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবেন।
সহ- সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ঃ
সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ঃ
তিনি বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও মারমাদের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, শিক্ষামূলক প্রতিযোগিতার আয়োজন ও উৎসাহ প্রদান করবেন।
সহ- ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ঃ
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
দপ্তর সম্পাদক ঃ
তিনি সংগঠনের সর্বপ্রকার নথিপত্র/আসবাবপত্র সংরক্ষণ করবেন এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
সহ-দপ্তর সম্পাদক ঃ
তিনি দপ্তর সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তাহার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ঃ
তিনি সংগঠনের যাবতীয় পত্রাদি প্রেরণ ও গ্রহণের দায়িত্বে থাকবেন। সংগঠনের সকল প্রকার প্রকাশনার দায়িত্ব পালণ করবেন। সংগঠনের স্বার্থে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে প্রচার কার্যে দায়িত্বে থাকবেন। তিনি বিবৃতি ও প্রস্তাবলী এবং অন্যান্য বিষয়ে সাধারণ সম্পাদকের সাথে পরামর্শক্রমে নোটিশ বোর্ডে/সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি জারী করবেন।
সহ- তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ঃ
তথ্য প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
আইন বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি ওয়েলফশনের রীতিনীতি, প্রথা সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান সহ প্রচলিত সরকারি আইন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করবেন। সংগঠনের যে কোন আইনী মোকাবেলায় জোরালো ভূমিকা রাখবেন।
সহ- আইন বিষয়ক সম্পাদক ঃ
আইন বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকঃ
সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রমের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জোরালো ভূমিকা পালন করবেন।
সহ-পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকঃ
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
ছাত্র বিষয়ক সম্পাাদক ঃ
তিনি বিভিন্ন শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করে বিভিন্ন শিক্ষামূলক পরামর্শ প্রদান এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা প্রসারে ভূমিকা রাখবেন।
সহ- ছাত্র বিষয়ক সম্পাাদক ঃ
ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
যুব বিষয়ক সম্পাাদক ঃ
তিনি যুব সমাজকে সংগঠিত করে সমাজ উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করবেন।
সহ- যুব বিষয়ক সম্পাাদক ঃ
যুব বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি ধর্মীয় শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। মারমা সমাজে ধর্মীয় চেতনা উদ্ধুদ্ধকরণ ও ধর্মীয় কুসংস্কার দুরীকরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাাদক ঃ
তিনি মারমা অধ্যুষিত এলাকায় মারমাদের আধুনিক কৃষি কাজে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের সমবায় সমিতি গঠনে উদ্ভুদ্ধ করবেন।
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি বন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন এবং বৃক্ষ রোপণের ব্যাপারে উদ্ভুদ্ধ করবেন।
ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি মারমা অধ্যুষিত এলাকায় দূর্যোগের সময় ত্রান কার্য পরিচালনা ও তদারকি করবেন এবং পূর্ণবাসনে সহযোগিতা করবেন। সরকারী বে-সরকারী সাহায্য সংস্থার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
সহ- ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক ঃ
ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
মৎস্য ও পশুসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি মৎস্য ও পশুপালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন করে তুলবেন।
আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ওয়েলফশনের পরিচিতি তুলে ধরতে সকল প্রকার কাজ করবেন এবং সকল মানুষ ও সম্প্রদায়ের সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে তুলতে মারমাদের সচেতন করে তুলবেন।
সহ- আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ঃ
আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে অনুরূপ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি সংগঠনের স্বার্থে সেচ্ছাসেবক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি আধুনিক প্রযুক্তির সাথে পরিচিত করতে সর্বাত্বক কাজ করে যাবেন।
যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ঃ
তিনি সরকারী বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান ও অন্য সকল সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ঃ
তিনি মহিলা বিষয়ের উপর কাজ করে যাবেন। বিভিন্ন মহিলা সমিতির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন। প্রয়োজনে মহিলা সমিতি/পরিষদ গঠনের অনুপ্রেরণা যোগাবেন।
সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ঃ
তিনি মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকার অনুপস্থিতিতে তাঁহার দায়িত্ব পালন করবেন।
নির্বাহী সদস্য ঃ নির্বাহী সদস্যগণ সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মতামত ব্যক্ত করবেন এবং কার্য নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক দেয়া সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন।
ধারা – ১৯
শাখা কার্য নির্বাহী কমিটি ঃ
সংগঠনের মূল ভিত্তি হবে শাখা কমিটি ঃ
অধ্যুষিত মহানগরে মহানগর কমিটি ও জেলা কমিটি, প্রত্যেক উপজেলায় একটি শাখা কমিটি এবং প্রত্যেক ইউনিয়নে এক বা একাধিক আঞ্চলিক শাখা কমিটি থাকবে। উক্ত মহানগর, জেলা কমিটি গুলো কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে গঠিত হবে এবং উপজেলা কমিটি জেলা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে গঠিত হবে এবং ইউনিয়ন/আঞ্চলিক কমিটিগুলো উপজেলা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে গঠিত হবে। মহানগর কমিটি ৭৫ (পঁচাত্তর) সদস্য, জেলা কমিটি ৬৫ (পঁয়ষট্টি) উপজেলা কমিটি ৫৫ (পঞ্চান্ন) সদস্য এবং ইউনিয়ন/আঞ্চলিক কমিটি ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) সদস্য বিশিষ্ট্য হবে। মহানগর, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন/আঞ্চলিক কমিটি মেয়াদ ২ (দুই) বছর। তাঁহারা সকল প্রকার কার্যাবলীর জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।
ধারা ২০
ক)মহানগর শাখা কার্য নির্বাহী কমিটি নিন্মরূপ ঃ
সভাপতি ১জন
সিনিয়র সহ-সভাপতি ১জন
সহ-সভাপতি ৩ জন
সাধারণ সম্পাদক ১জন
যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক ১ জন
সহ- সাধারণ সম্পাদক ৩ জন
সংগঠনিক সম্পাদক ১জন
সহ- সংগঠনিক সম্পাদক ২ জন
অর্থ সম্পাদক ১জন
সহ অর্থ সম্পাদক ১জন
শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১জন
সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১জন
দপ্তর সম্পাদক ১জন
সহ- দপ্তর সম্পাদক ১জন
তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১জন
সহ- তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১জন
আইন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- আইন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ১জন
কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ১জন
বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক ১জন
মৎস্য ও পশু সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ১জন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ১জন
যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক ১জন
ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ১জন
যুব বিষয়ক সম্পাদক ১জন
সহ- যুব বিষয়ক সম্পাদক ১জন
মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১জন
সহ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
নির্বাহী সদস্য ৩১জন
মোট = ৭৫জন
খ) উপজেলা শাখা কার্য নির্বাহী কমিটি নিন্মরূপ ঃ
১। সভাপতি ১ জন
২। সিনিয়র সহ-সভাপতি ১জন
৩। সহ-সভাপতি ৩ জন
৪। সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৫। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৬। সহ-সাধারণ সম্পাদক ৩ জন
৭। সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৮। সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৯। দপ্তর সম্পাদক ১ জন
১০। সহ দপ্তর সম্পাদক ১ জন
১১। অর্থ সম্পাদক ১ জন
১২। ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৩। সহ ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৪। তথ্য, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৫। সহ তথ্য, প্রচার বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৬। আইন পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৭। সহ আইন পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৮। শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৯। সহ শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
২০। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন
২১। সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১ জন
২২। ধর্ম বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
২৩। সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
২৪। মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
২৫। সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
২৬। সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১ জন
২৭।নির্বাহী সদস্য ২৫জন
মোট = ৫৫জন
খ) ইউনিয়ন/আঞ্চলিক শাখা কমিটি নি¤œরূপঃ
১। সভাপতি ১জন
২। সিনিয়র সহ-সভাপতি ১জন
৩। সহ-সভাপতি ২জন
৩। সাধাণ সম্পাদক ১জন
৪। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ১জন
৫। সহ-সাধারণ সম্পাদক ২জন
৬। সাংগঠনিক সম্পাদক ১জন
৭। যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক ১জন
৭। সহ-সাংগঠিনক সম্পদক ২জন
৮। দপ্তর সম্পাাদক ১জন
৯। অর্থ সম্পাদক ১জন
১০। তথ্য, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ১জন
১১। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ১জন
১২। ক্রীড়া সম্পাদক সম্পাদক ১জন
১৩। ধর্ম ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ১জন
১৪। মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১জন
১৪। মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ১জন
১৫। কার্যকরী সদস্য ১৫জন
মোট = ৩৫ জন
ধারা -২১
অংগসংগঠনঃ
সংগঠনের যাবতীয় কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিন্মল্লিখিত অংগসংগঠন স্বক্রিয়ভাবে সহযোগীতা করবে।
ক) যুব ওয়েলফশন পরিষদ।
খ) মহিলা ওয়েলফশন পরিষদ।
গ) কৃষক ওয়েলফশন পরিষদ।
ঘ) শিক্ষক ওয়েলফশন পরিষদ।
ঙ) ইসলামী ওয়েলফশন পরিষদ।
ধারা-২২
সহযোগী সংগঠনঃ
সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিন্মলিখিত সহযোগী সংগঠন সহযোগীতা করবেঃ
ক) ছাত্র ওয়েলফশন পরিষদ।
খ) পেশাজীবি ওয়েলফশন পরিষদ।
ধারা- ২৩
(ক) নির্বাচন সংক্রান্তঃ সকল ধরনের নির্বাচন প্রস্তাবনা ও সমর্থনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত বা মনোনীত হতে হবে।
(খ) নির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ঃ সাধারণ পরিষদের সদস্য/সদস্যাবৃন্দের নির্বাচন প্রস্তাবনা ও সমর্থনে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত বা মনোনীত হতে হবে।
(গ) মেয়াদ ঃ নির্বাচিত বা মনোনীত হওয়ার পর যেদিন থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সেদিন থেকে ৩(তিন) বৎসরের জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ হবে এবং দ্বি-বার্ষিকী সাধারণ সভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন/আঞ্চলিক কমিটির মেয়াদ হবে ২ (দুই) বৎসর।
(ঘ) নির্বাচন কমিটি ঃ সংগঠনের স্থায়ী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা করবেন। তবে তারা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অথবা আজীবন সদস্য হতে একজনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং উপদেষ্টা বা আজীবন সদস্যদের অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ ৪ জন ব্যক্তিকে নিয়ে ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এ নির্বাচন কমিটি সাধারন পরিষদ কর্তৃক মনোনীত হবে।
(ঙ) ভোটের প্রণালী ঃ
১) এক ব্যক্তি একটি পদে একটি ভোট প্রদান করবেন এবং কোন প্রতিনিধির মাধ্যমে ভোট দেওয়া যাবে না। নির্বাচনের ৩০ (ত্রিশ)দিন পূর্বে নির্বাচন কমিশন তফসীল ঘোষনা দেবেন। নির্বাচন বিষয়ে কমিশন কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
২) সদস্য অর্ন্তভূক্ত সংগঠনের কোন চাঁদা বকেয়া থাকলে ঐ সংগঠনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না।
৩) নির্বাচনের ২০দিন পূর্বে কাউন্সিলার বা ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
৪) ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে সদস্য/সদস্যার সংগঠনের ভর্তি ও বয়স কমপক্ষে ৩০ (ত্রিশ) দিন হতে হবে।
[[বিঃদ্রঃ নির্বাচন ছাড়া ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ কতৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এর মাধ্যমে সরাসরি প্রতিনিধি নির্বাচিত বা যোগ্যব্যাক্তিকে তার উপযুক্ত আসনে অধিষ্ঠিত করতে পারবে।]]
Comments