অনুচ্ছেদ - ১

ভূমিকাঃ
    বিশ্বের কল্যাণ কামী ব্যক্তিদের একত্রিত করে। স্ব স্ব এলাকার শিক্ষা সচেতনতা, বেকারত্ব দূরীকরণ, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক পরিবেশ, আত্ম-কর্মসংস্থান এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ পারষ্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের সেতু স্থাপন তথা আদর্শ সমাজ জীবন গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয়ে সামাজিক, প্রগতিশীল ও উন্নয়নমুখী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ।


 ধারা- ১
সংগঠনের নামঃ এই সংগঠনের নাম হবে “কল্যাণ সংঘ”। ডাক নাম : 'মানবকল্যাণ সংঘ' সরকারি নাম : ওয়েলফশন (EN- WELFTION)

 উপধারা-১
(ক) সংগঠনের ধরন: কল্যানমূখী, সমাজসেবা মূলক,অরাজনৈতিক, অলাভজনক,উন্নয়ন মূলক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন অর্থাৎ একটি সৃষ্টিশীল সামাজিক সংগঠন।
 (খ) সংগঠনের মুলমন্ত্র: ” সততা, ঐক্য, বন্ধুত্বপূর্ণ, বিশ্বস্ততা, সহযোগিতা, শিক্ষা, শান্তি, ও উন্নতি ” সংগঠনের মুলমন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হবে।


 ধারা- ২
 সংগঠন প্রতিষ্ঠা কালঃ ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ইং।


 ধারা- ৩
পতাকা ঃ
 দুইটি রঙ্গের হবে। সবুজ এবং সাদা। সবুজ মানে হচ্ছে উন্নয়ন এবং সাদা মানে শান্তি। পতাকার আকারঃ দৈর্ঘ্য ১০ঃ ৬ এবং প্রস্থ ৩ঃ৬ অনুপাত ১০:৩।

 ধারা-৪
মনোগ্রাম ঃ
 মনোগ্রামের ব্যাক গ্রাউন্ড থাকবে সাদা। যা শান্তি ও কল্যাণ কে বুঝানো হয়েছে। মনোগ্রামের রং হবে আকাশি নীল উপরোক্ত সবকিছুকে দুটি জলপাই পাতার ছড়া দিয়ে আর্বিত দেখানো হবে। শান্তি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। মনোগ্রামটি বৃত্তাকার হবে। বৃত্তকারের উপর সংগঠনের নাম লেখা থাকবে।

ধারা -৫
 মূলনীতিঃ সংগঠনের মূলনীতি হবে শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি, একতা বা ঐক্যবদ্ধ (ঐক্য), বিশুদ্ধ উদ্দেশ্য, বিশ্বস্ত এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। 

 উপধারা-১
 শিক্ষাঃ শিক্ষা মনুষ্যত্ব বিকাশের প্রধান হাতিয়ার। শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে সমাজের সকল শ্রেণীকে শিক্ষার আলো আলোকিত করা এবং সমাজের ন্যায় বিচার, মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে জাতীয় প্রচেষ্টা করা।
 শান্তিঃ সকল জাতিসত্বার সাথে উন্নয়নের মাধ্যমে সমাজের সকল স্তরে ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক রেখে সমাজ তথা বিশ্বের শান্তি আনায়নের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখা। প্রগতিঃ সর্বস্তরের মানুষের শিক্ষা ও জীবনযাত্রা মানবৃদ্ধি করে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ ও জনগোষ্ঠীর কুসংস্কার দুর করে প্রগতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ঐক্যঃ সকল কল্যাণ কামী মানুষ ও জাতিসত্ত্বাকে ঐক্য বদ্ধ করে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে দেশ ও সমাজ গঠনে অগ্রনী ভুমিকা রাখা। মহান রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমারা আল্লাহর রজ্জুকে (ইসলাম) আঁকড়ে ধর (ঐক্যবদ্ধ হও) এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।’ -সূরা আল ইমরান: ১০৩ হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া, অনুগ্রহ, মায়া-মমতার দৃষ্টিকোণ থেকে তুমি মুমিনদের দেখবে একটি দেহের মতো। যদি দেহের কোনো একটি অংশ আহত হয়ে পড়ে তবে অন্যান্য অংশও তা অনুভব করে।’ -সহিহ বোখারি ও মুসলিম। বিশুদ্ধ উদ্দেশ্য : পবিত্র উদ্দেশ্য নিয়ে একত্রিত হতে হবে। সর্বসাধারণের কল্যাণ করা হবে কল্যাণ সংঘের উদ্দেশ্য। কল্যাণ সংঘের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতেকের উদ্দেশ্য থাকবে বিশুদ্ধ ও পবিত্র।
 বিশ্বস্ত ও বন্ধুত্বপূর্ণ : ওয়েলফশনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতেকে হবে বিশ্বস্ত বন্ধুপূর্ণ। “ বিশ্বস্ত বন্ধু হচ্ছে প্রাণরক্ষাকারী ছায়ার মতো। যে তা খুঁজে পেলো, সে একটি গুপ্তধন পেলো। ” (নিটসে)
 ধারা- ৬ সংগঠনের স্থায়ী ঠিকানা ঃ ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর,ঢাকা, বাংলাদেশ।
 ধারা-৭ কার্যক্ষেত্র এলাকাঃ এই সংগঠনের কার্যক্ষেত্র বিশ্বব্যাপী ।
 উপধারা-১ "সাংগঠনিক এলাকা" (ক) সমগ্র বিশ্ব জুড়ে এ সংগঠনের কর্মক্ষেত্র বিস্তৃত থাকবে। (খ) আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উপায়ে সাংগঠনিক কর্মসূচীতে ব্যাপকতা আনা যাবে।
উপধারা -২ (ক) কেন্দ্রীয় দপ্তর বা কার্যালয় : ওয়েলফশনএর গঠন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় অফিস বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর, ঢাকা, বাংলাদেশে অবস্থিত থাকবে। (খ) প্রয়োজন বোধে কেন্দ্রীয় অফিস বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা যেতে পারে। 
 উপধারা - ৩ "সাংগঠনিক কাঠামো" (ক) কেন্দ্রীয় পরিষদ  (খ) জেলা পরিষদ (গ) উপজেলা/থানা পরিষদ/পৌরসভা  (ঘ) ইউনিয়ন/ওয়ার্ড (সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা) পরিষদ (ঙ) ইউনিট পরিষদ  (চ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ বিদ্যালয় / কলেজ / ইনস্টিটিউট / বিশ্ববিদ্যালয় / মেডিকেল পরিষদ। (ছ) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান / মষজিদ / মাদ্রাসা পরিষদ।
 উপধারা-৪ " কেন্দ্রীয় পরিষদ গঠন" (ক)  কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে পূর্ব পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সহ কাউন্সিরলদের থেকে নির্বাচিত মোট ০৭ (সাত) জন এবং  উপদেষ্টা পরিষদের মনোনীত প্রতিনিধির সমন্বয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে। ওয়েলফশনের কেন্দ্রীয় পরিষদ কে ইসলামীওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ হিসাবে ব্যাবহিত হবে। (খ)  প্রতি ১ মাস অন্তর সাধারণ সম্পাদক, সভাপতির সাথে পরামর্শ করে সাধারণ সভা আহবান করবে। প্রয়োজন ভিত্তিক জরুরী সভাও আহবান করবে। (গ) আওতাধীন শাখ সমূহের নিবার্চন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে পূর্ববতী পরিষদেও সভাপতি, সাধারণ সম্পদক কাউন্সিলর হিসেবে মনোনিত হবেন। (ঘ) আওতাধীন জেলা ও সমমান শাখা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য হবে। তবে কেন্দ্রীয় পরিষদের সিইও বা প্রধান এর পদাধিকার পরিবর্তন হবে না। উপধারা-৫ জেলা পরিষদ গঠন প্রতি ৩ বছর অন্তর জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে নূন্যতম ৩১ জন। জেলা পরিষদে সকল বিষয়ে কেন্দ্রীয় পরিষদের পদ্ধতি সমূহ অনুসরণ করবে। উপধারা-৬ থানা পরিষদ গঠন প্রতি ২ বছর অন্তর থানা/উপজেলা প্রতিনিধি সম্মেলন সম্পন্ন করবেন। উপজেলা পরিষদের সদস্য সংখ্যা নূন্যতম ২১ জন। থানা পরিষদে সকল বিষয়ে কেন্দ্রী পরিষদের পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করবে। উপধারা-৭ ইউনিয়ন / ওয়ার্ড পরিষদ গঠন প্রতি ১ বছর অন্তর ইউনিয়ন/ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলন সম্পন্ন করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সংখ্যা নূন্যতম ১৫ জন। ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পরিষদে সকল বিষয়ে কেন্দ্রী পরিষদের পদ্ধতিসমুহ অনুসরণ করবে। উপধারা-৮ ইউনিট পরিষদ গঠন প্রতি ১ বছর অন্তর ইউনিট প্রতিনিধি সম্মেলন সম্পন্ন করবেন। ইউনিট পরিষদের সদস্য সংখ্যা নূন্যতম ১৩ জন। ইউনিট পরিষদে সকল বিষয়ে কেন্দ্রী পরিষদের পদ্ধতিসমুহ অনুসরণ করবে। উপধারা-৯ (ক) জেলার মান প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : মহানগর, সিটি কর্পোরেশন, পাবলিক/জাতীয়/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, কামিল (এম.এ), ফাযিল (ডিগ্রী)। (খ) থানার মান প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : পাবলিক/জাতীয়/প্রাইভেট/বিশ্ববিদ্যালয়, কামিল (এম.এ) এর হল সরকারী/বেসরকারী, মেডিকেল, পলিটেকনিক্যাল/কৃষি ইনষ্টিটিউশন /এইচ.এস.সি বা সমমান/পৌরসভা । (গ) ইউনিয়ন এর মান প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : এস.এস.সি বা সমমান/জে.এস.সি/জে.ডি.সি (ঘ) ওয়ার্ড এর মান প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান : পি.এস.সি উপধারা -১০ (ক) এই সংগঠনের কাযর্ক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করবে সদস্যদের স্ব স্ব অবস্থানের। (খ) কার্যাবলী সম্প্রসারণ করে সকল কার্যক্রম সমগ্র বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি করা হবে। ধারা-৮ ভাষা ঃ সংগঠনের ভাষা হবে বাংলা। পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজি ভাষাও গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। ধারা-৯ সংগঠনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ঃ এই সংগঠনের মুল লক্ষ ও উদ্দেশ্য হল কল্যাণমূলক কার্যকলাপে সাহায্য সহযোগিতা অংশগ্রহণ ও সকল কল্যাণ কামী সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যাক্তিদের একত্রিত করা এবং সার্বিক ভাবে কল্যাণ সাধিত করা। উপধারা -১ (ক)এই সংগঠন একটি সমাজ উন্নয়ন এবং কল্যাণমুখী সেচ্ছাসেবী সংগঠন। তাই অধিকতর দরিদ্র ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা-দীক্ষা, সামাজিক, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, পরিবেশ, আর্থ- সামাজিক, মানবাধিকার উন্নয়ন ও সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং কল্যাণ কামী ব্যাক্তিদের একত্রিত বা ঐক্যবদ্ধ করাই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। (খ)। ইহা বিশ্বের কল্যাণ কামী ব্যাক্তি ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে একতা, শৃঙখলা ও সমৃদ্ধি আনয়ণের লক্ষে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সেবামূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আদর্শ সমাজ জীবন গড়ে তোলা। উপধারা -২ ১। শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন জনগণকে বিশেষ তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে। ২। সামাজিক ও মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করবে। ৩। অত্র সংগঠনের অর্ন্তভুক্ত এলাকায় গরীব ও অনাথ শিশুদের কল্যাণ সাধন করা ও তাদের সমাজ উপযোগী গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে স্কুলের লেখাপড়া করতে শিশুদের জন্য অনাথালয় ও ধর্মীয় শিক্ষার জন্য পল্লিটোল স্থাপন করা। ৪। এলাকার সবচেয়ে পশ্চাৎপদ বঞ্চিত দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক পরিবেশ অধিকারগত সমস্যাবলী সম্পর্কে সচেতনতার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশাভিত্তিক ক্ষুদ্র দল গঠন করে যাতে তারা স্বাবলম্বী হয়ে জাতীয় উন্নয়নে অংশগ্রহণ ও আত্মনির্ভরশীল জাতি ও মানুষ গঠনে অবদান রাখতে পারে। ৫। অত্র সংগঠনের সহযোগিতায় বেকার যুবকদের স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষে বৃত্তিমূলক কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যক্তিগত ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সহায়তা করা। মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের সহায়তা এবং বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আর্থিক সহযোগিতা করা। ৬। শিক্ষা, সাহিত্য উন্নয়নের জন্য গ্রন্থাগার, তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনা করা এবং সংগঠনের উদ্দেশ্যকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সাময়িকী ও স্বরণিকা প্রকাশ করা। ৭। অসচেতন জনগোষ্ঠীর ভূমি অধিকার ও ভূমি সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতন করে তোলা এবং সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করা। ৮। নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও বাস্তবমুখী কারিগরি শিক্ষা প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত ও যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ও সহায়তা করা। ৯। স্থানীয় প্রযুক্তি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং প্রাপ্য সরকারি বেসরকারি সুযোগ সুবিধা যথাযথ পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করা। ১০। সমাজ উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক নিরীক্ষা, জরিপ ও গবেষণা করা। ১১। টেকসই প্রযুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন উৎপাদনশীল যেমন-কুটির শিল্প, হস্তশিল্প, চাষাবাদ, মৎস্য চাষ, গৃহপালিত পশুপাখি পালন ইত্যাদি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান। ১২। সমাজ উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে অধিকতর গতিশীল ও কার্যকরী করার জন্য নারী-পুরুষ সম্পর্কের উন্নয়ন। সমাজে নারী ও শিশু অধিকার বাস্তবায়ন ও নারী ক্ষমতায়নের জন্য মহিলাদেরকে সংগঠিত করে আত্ম-সামাজিক কর্মসূচী বাস্তবায়ন,বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ এবং যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো। ১৩। স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, পুষ্টি শিক্ষা, মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ, বৃদ্ধ ও অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বিনোদন ও সেবা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ১৪। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্মত প্রকল্প গ্রহণ, সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়ন ও রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দান ও জন স্বাস্থ্যসম্মত পয়ঃপ্রণালীর ব্যবস্থা করা। ১৫। জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণকারী জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপন করা এবং সহায়তা প্রদান করা। ১৬। সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি অর্জন, ক্রয়-বিক্রয়, সরকারি-বেসরকারি ও বিদেশী দাতা সংস্থার বা ব্যক্তির অনুদান গ্রহণ করা। ১৭। আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান ও বৃত্তির ব্যবস্থা করা। ১৮। এই অঞ্চলে জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশের সকল প্রকার সহায়তা প্রদান। ১৯। জাতিসংঘের কার্যক্রমকে সহায়তা প্রদান- যেমন: বিভিন্ন জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক দিবস সমূহ পালনের সহায়তা প্রদান। ২০। সমাজে প্রচলিত খেলাধূলা, সাংস্কৃতিক অনুশীলনের মাধ্যমে বিস্তৃত করে আধুনিক ক্রীড়া জগতে বিবিধ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক ধারা সহিত পরিচিতির চেষ্টা করা। ২১। জাতীয় ভাব ধারাকে আরো সহজতর করে সর্বস্তরের জনসাধারণকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের পরিবেশ সৃষ্টি করা। ২২। উপরোক্ত লক্ষ্য উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগঠনের সরকারি বেসরকারি বা বিদেশী দাতা সংস্থা বা ব্যক্তির অর্থের সাহায্যে প্রয়োজনীয় সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কসপ প্রভৃতি আয়োজন করা। ২৩। শিক্ষা কল্যাণ তহবিল গঠন করা। ২৪। বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলা। ২৫। প্রতিটি উপজেলায় সাংগঠনিক কাজ জোরদার করার জন্য তহবিল গঠন করা। ২৬। সর্বপরি সকল কল্যাণময় কাজের সাথে ওয়েলফশনের সদস্যদের যুক্ত করা। ২৭। মানব কল্যাণে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ। ধারা-১০ ওয়েলফশনার যোগদান - সদস্যপদ লাভঃ ১। এই সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন সুস্থ মস্তিষ্কের যেকোন ব্যক্তি। ২। প্রত্যেক সদস্য/সদস্যাকে ভর্তি ফি বাবদ ১০০/- (একশত টাকা) ও মাসিক ফি বাবদ যোগদান ফর্মে উল্লেখিত হারে চাঁদা সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রদান করতে হবে। ৩। সংগঠনের এককালিন ১০০০০/- (দশ হাজার টাকা) প্রদান সাপেক্ষে আজীবন দাতা সদস্যপদ গ্রহণ করতে পারবেন। ৪। সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে চলা এবং সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী কোন কাজে লিপ্ত হবে না এই মর্মে অংঙ্গীকার করবেন। উপধারা -১ যোগদান ফর্মে উল্লেখিত চাঁদার পরিমাণ এভাবে উল্লেখ করতে পারবে। যে মাসে.....এত টাকা বা আমার প্রতি মাসের মোট আয়ের.... এত % অর্থ বা টাকা দিব। চাঁদ দিতে না পারলে উক্ত খালিঘর একটানে কেটে দিবে বা এখন না লিখে খালিঘর পূরণ করবে। উপধারা -২ সাধারণ সদস্য হবার শর্তাবলীঃ (১) ওয়েলফশন এর সাধারণ সদস্য হবার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর। (২) ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত আবেদন ফরমের মাধ্যমে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক বরাবর আবেদন করতে হবে। (৩) ভদ্র, রুচিশীল, উদ্যোমী, সদাচারী ও মননশীল হতে হবে। (৪) প্রত্যেক সদস্যকে প্রতি মাসে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাসিক চাঁদা দিতে হবে। এই ক্ষেত্রে ১০ ধারার ১উপধারর উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করবে। (৫) যারা স্বেচ্ছাসেবী মনোভাবাপন্ন এবং নিজেদের তথা দেশের ও এলাকার মানব জাতির উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত কিংবা সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক এবং নৈতিকতা বিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত নয়। (৬) যারা নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একটি ক্ষুধামুক্ত ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ ও এলাকা গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। ধারা- ১১ সদস্যদের প্রকারভেদ ঃ ১। আজীবন দাতা সদস্য। ২। দাতা সদস্য। ৩। আজীবন সদস্য। ৪। সাধারণ সদস্য। ৫। উপদেষ্টা বা পরামর্শদাতা সদস্য। ৬। ওয়েলফশনার বা ওয়েলফেন। ৭। ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য। (১) আজীবন দাতা সদস্য ঃ যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই সংগঠনের জন্য ১ (এক)লক্ষ এর অধিক আর্থিক বা সমমূল্যে সম্পত্তি দান করলে তাকে সম্মানসূচক আজীবন দাতা সদস্য পদ প্রদান করবেন। (২) দাতা সদস্য ঃ যে ব্যক্তি এককালিন ১০০০০/- (দশ হাজার) টাকা বা সমমূল্যেও সম্পদ সংগঠনকে দান করবেন এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের নির্বাহী পরিষদেও অনুমোদন লাভ করবেন কেবল তাকে দাতা সদস্য বলে গণ্য করা হবে। নির্বাহী পরিষদ ইচ্ছা করলে চাঁদা ছাড়াও বিশেষ গুণ সম্পন্ন ব্যক্তিকে দাতা সদস্য পদে গ্রহণ করতে পারবেন। (৩) আজীবন সদস্য ঃ যে ব্যক্তি এককালিন ৪০০০/- (চার হাজার) টাকা বা সমমূল্যেও সম্পদ সংগঠনকে দান করবেন এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের নির্বাহী পরিষদেও অনুমোদন লাভ করবেন কেবল তাকে আজীবন সদস্য বলে গণ্য করা হবে। নির্বাহী পরিষদ ইচ্ছা করলে চাঁদা ছাড়াও বিশেষ গুণ সম্পন্ন ব্যক্তিকে আজীবন সদস্য পদে গ্রহণ করতে পারবেন। (৪) সাধারণ সদস্য ঃ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক মন্ডলীর নিয়ন্ত্রনাধীন শাখা কমিটি সমুহের মধ্য থেকে মহানগর কমিটি, উপজেলা কমিটির এবং ওয়ার্ড/আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সদস্য বলে গণ্য হবে। (৫)পৃষ্টপোষক বা পরামর্শক সদস্য ঃ কোন ব্যক্তি সংগঠনকে সব সময় মঙ্গল কামনা করে সুপরামর্শ প্রদান করিলে তাকে সম্মানজনক পৃষ্টপোষক সদস্য হিসাবে বিবেচনা করবেন। (৬) ওয়েলফশনার বা ওয়েলফেন ঃ যে সকল ব্যাক্তি কল্যাণের কথা বলবে ও কল্যাণ করার ইচ্ছাপোষণ করবে এবং বাস্তবায়ন করার সর্বউচ্চ চেষ্টা করবে তাদেরকে ওয়েলফশনার বা ওয়েলফেন বালা হবে। (৭)ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য ঃ সাধারণ সদস্য দের মধ্যে থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ, অভিজ্ঞ এবং যোগ্য ব্যাক্তিদের ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য নির্বাচন করা হবে । [[বিঃদ্রঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করা হবে সর্বনিম্ন মাধ্যমিক পাশ]] ধারা- ১২ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঃ (১) আজীবন দাতা সদস্য ঃ আজীবন দাতা সদস্যরা সংগঠনের যাবতীয় উন্নয়নমূলক পরামর্শ সদোপদেশ ইত্যাদি দিতে পারবেন। (২) দাতা সদস্য ঃ দাতা সদস্যরা কেবলমাত্র সংগঠনের যাবতীয় উন্নয়নমূলক পরামর্শ সদোপদেশ ইত্যাদি দিতে পারবেন। (৩) আজীবন সদস্য ঃ (ক) সংগঠনের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। (খ) সংগঠনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, উপদেশ প্রদান করবেন। (গ) সংগঠনের নীতি নির্ধারণ, কোন প্রস্তাবের উপর বা যে কোন মতামত গ্রহণ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোট প্রদান করতে পারবেন। (৪) সাধারণ সদস্য ঃ (ক) সংগঠনের সকল প্রকার উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগীতা করবেন। (খ) সংগঠনের বিভিন্ন সভায় উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন এবং বিভিন্ন প্রস্তাবের উপর মূল্যবান মতামত পেশ করবেন। (গ) সংগঠনের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিজের ভোট বা মতামত প্রদান করবেন। (ঘ) কেন্দ্রীয় পরিষদে মতামত প্রদানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। (ঙ) ওয়েলফশন এর সকল কার্যক্রম ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সাহায্য সহযোগিতা করবেন। (চ) সংগঠনের স্বার্থে যে কোন প্রস্তাব/অভিযোগ লিখিত বা মৌখিক আকারে পেশ করতে পারবেন। (৫) পৃষ্টপোষক সদস্য পরামর্শক সদস্য ঃ সংগঠন উন্নতি কল্পে বিভিন্ন পন্থা বা উৎস খোঁজার তৎপর হবেন। সংগঠনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, উপদেশ প্রদান করবেন। তাছাড়া বিভিন্ন পরামর্শ সংগঠনের যাবতীয় উন্নয়নমূলক পরামর্শ সদোপদেশ ও সাহায্য সহযোগিতা করে থাকবে। (৬) ওয়েলফশনার বা ওয়েলফেন ঃ সংগঠনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পরামর্শ, উপদেশ প্রদান করতে পারবেন তাছাড়া যুক্তিযুক্ত মতামত পরামর্শ দিতে পারবেন। (৭)ওয়েলফশন কেন্দ্রীয় পরিষদ সদস্য ঃ (ক)ওয়েলফশন বা সংগঠন এর সকল কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। (খ) সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সক্রিয় ভূমিকা রাখবে । (গ) সদস্যতা প্রাপ্তি অনুমতি প্রদান করবে । (ঘ) পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। (ঙ) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করবে। (চ) সদস্যতা বাতিল অনুমতি প্রদান করবে। [[ বিঃদ্রঃ : কোনো সদস্য দাতা সদস্য বা অন্যন্য সদস্য পাপ্তির পাশাপাশি সাধারণ সদস্য হিসেবে থাকতে পারবে সেই ক্ষেত্রে উক্ত সদস্য এবং সাধারণ সদস্য ভূমিকা পালন করবে ]]

Comments

®WelFTion Popular Posts

©মানবকল্যাণ সংঘ (®Welftion)

পরিচালনা কমিটি গঠন তন্ত্র

welftion - وعلفشن - ওয়েলফশন আবেদন করুন || Welftion Apply

ওয়েলফশন ~ কল্যাণ সংঘ

Welftion Human Welfare Association || ওয়েলফশন মানবকল্যাণ সংঘ

ওয়েলফশনার আড্ডা

আড্ডা:ঢাকা ওয়েলফশন মিটআপ, আগস্ট ২০১৯